ফলাফল বিপর্যয়ের মাধ্যমে সরকারকে চাপে ফেলতে চায় এনটিআরসিএ
১৮ তম নিবন্ধন ভাইভা ফেইল প্রার্থী শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া
বিগত বছরের নিবন্ধন পরীক্ষায় চূড়ান্ত রেজাল্টে উত্তীর্ণ হইছে ৯৩%,৯৪%,৯৫% এবং ফেল করছে৫%,৬%,৭% কিন্তু ১৮ তম নিবন্ধনে চূড়ান্ত রেজাল্টে উত্তীর্ণ হইছে ৭৪%, ফেল করছে ২০%,২৫% যা বিগত বছরের সাথে বিশাল ব্যবধান।
১৮ তম নিবন্ধনে সিলেবাস পরিবর্তন করছে এবং প্রশ্ন কোন বিকল্প অপশন ছিল না এমনকি প্রশ্ন হার্ড হইছে কিন্তু বিগত বছরে প্রশ্নে বিকল্প অপশন ছিল এবং প্রশ্ন ছিল সহজ।
ভাইভার ২০ মার্কের মধ্যে একাডেমিক রেজাল্টে ১২ মার্ক বাকি ৮ মার্ক (ড্রেস কোড+মৌখিক প্রশ্ন) এই ৮ মার্কের ২/৩ মার্কের জন্য একজন প্রার্থীকে ১/২ মিনিটে যাচাই করে কখন ফেল করাতে পারে না।
ntrca সনদ মানেই চাকরি পাওয়া নয়। যেখানে সনদ পেলেই চাকরি হবে না জাতীয় মেধা তালিকা এবং শূন্যপদের বিপরীতে চাকরি হবে সেখানে কিভাবে এতো সংখ্যক ফেল করায়৷
ভাইবা বোর্ডে বোর্ড কর্মকর্তার হাতে লিখিত নাম্বার থাকে না। তাহলে এমনও অনেকে আছে যারা ৮০-৯০ পেয়েছে ( গণিত) কলেজে তাদের কোন যুক্তিতে ফেল করায়?
আমাদের ভাইবা বোর্ডে মোট নাম্বার ২০।
সার্টিফিকেট ১২, পোশাক ও ব্যবহার ৪, মৌখিক ৪।
সেখানে যাদের ১২ নাম্বার আগেই আছে তারা কি বাকি ৮ এ ৩.৫ পাওয়ার যোগ্যতা রাখে না?
গত কয়েকটা নিবন্ধনে ২০০০ এর ওপর ফেলের নজির নেই। সেখানে এতো ফেল কেনো? যেখানে হাজার হাজার শূন্যপদ রয়েছে৷ যারা রিটেন দিয়ে এতোদূর এসেছে এবং ভাইবায় সঠিক উত্তর দিয়েছে তারা কিভাবে ফেল করে?
মোট কথা ntrca আমাদের সার্টিফিকেট দেয়। চাকরি দেয় না৷ তারা এতো সংখ্যক ফেল করানোর মানে কি? এটা কি সরকারি কোনো চাকরির পরীক্ষা ছিলো যেখানে সরাসরি চাকরির সুপারিশ করা হয়?
আমাদের মেইন পয়েন্ট এটাই ntrca সরাসরি চাকরি দেয় না নাম্বারের ভিত্তিতে হয় তাহলে ভাইবাতে ফেল করানোর অধিকার ntrca এর নাই৷ যদি দিতো তাহলে আমরা এ বিষয়ে কথা বলতে আসতাম না৷ মাত্র ৪ নাম্বারের ভিত্তিতে কিভাবে একজন প্রার্থীকে তারা অযোগ্য বলে? আমরা তো চাকরি চাচ্ছি না। সার্টিফিকেট চাচ্ছি। এরপর ভালো নাম্বার পেলে জব হবে। নাহয় হবে না। কিন্তু এতো সংখ্যক কেনো ফেল করাবে? আমরা দেশের নাগরিক হিসেবে এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করছি৷ এই দেশের প্রতিটা নাগরিকের এ অধিকার রয়েছে।
আমরা বারবার একটা কথাই বলতে চাই যারা লিখিত পাশ করেছে তাদের সার্টিফিকেট ইস্যু না থাকলে অবশ্যই পাশ দিতে হবে। সেটা সে সর্বনিম্ন কাটমার্ক পেলেও দিতে হবে। কেননা এতে চাকরি পাবার নিশ্চয়তা দেয়া হয় না। শুধুমাত্র সার্টিফিকেটই দেয়া হয়। এরপর নাম্বারের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান চয়েজ দিলেই জব হয়৷ কেউ জোর করে চাকরি নেয় না। তাহলে একটা সার্টিফিকেট দিতে এতো কাহিনী কেনো? এক্ষেত্রে কি আমরা প্রশ্ন করতে পারি না অন্যায়ভাবে আমাদের মাইনাস করে অন্যদের সুবিধে দেয়া হবে?
ইন্টারিম সরকার কে বিপদের মুখে ফেলে দেওয়ার জন্য আওয়ামী দোসরা এ রকম উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন যাতে ২০০০০ এর বেশি শিক্ষার্থী আন্দোলনে নামে আমরা হুশিয়ার করে দিতে চাই
বৈষম্য বন্ধ না করলে NTRCA মধ্যে লুকিয়ে থাকা আওয়ামী দোষর কর্তৃপক্ষের পরিণতি হবে আওয়ামীদের মতো।







0 Comments